Header Ads


কার্ল মার্ক্সের উক্তিসুমহ

(১) "ইতিহাস নিজেই নিজের পুনরাবৃত্তি করে। প্রথমে মর্মান্তিক ঘটনার দ্বারা আর দ্বিতীয় একটা রসিকতার দ্বারা” – Karl Marx

(২) “যত অধিক শ্রমের বিভাজন আর যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়তে থাকবে, ততই শ্রমিকদের মধ্যে প্রতিযোগীতা আরো বাড়বে এবং তাদের বেতনও অনেক কমে যাবে” – Karl Marx

(৩) “ধর্ম দীন দরিদ্র প্রানীদের কাছে একটি দুঃখ, নিষ্ঠুর বিশ্বের কাছে হয় হৃদয় আর নিষ্প্রাণ পরিস্থিতির কাছে প্রাণ হয়” – Karl Marx

(৪) “সামাজিক প্রগতি, সমাজে মহিলাদের অবস্থানের মাধ্যমে মাপা যেতে পারে” – Karl Marx

(৫) “বিশ্বের শ্রমিকরা একত্রিত হও, তোমাদের কাছে হারানোর মতো কিছুই নেই শুধুমাত্র নিজেদের বাঁধন ছাড়া” – Karl Marx

(৬) “শান্তির অর্থ সাম্যবাদের বিরোধীতা করা নয়” – Karl Marx

(৭) “আমাদের এটা কখনোই বলা উচিত নয় যে, একটা মানুষের এক ঘন্টার মূল্য অন্য আরেকজন মানুষের এক ঘন্টার মূল্যের সমতুল্য। বরং আমাদের এটা বলা উচিত যে, ওই এক ঘন্টা সময়ের মধ্যে একটা মানুষ ঠিক ততটাই দামী যতটা অন্য বাকি মানুষরাও” – Karl Marx

(৮) “ইতিহাস কিছুই করেনা। তার কাছে অপার ধন-সম্পত্তি বলে কিছুই থাকেনা বা সে কখনই অন্যদের সাথে যুদ্ধ করেনা, এইসব তো বাস্তবে মানুষেরা করে” – Karl Marx

(৯) “মানসিক ব্যথার একমাত্র প্রতিষেধক শারীরিক ব্যথা” – Karl Marx

(১০) “প্রকৃতির নিয়মের ওপরে ওঠা একেবারেই অসম্ভব, যেটা ঐতিহাসিক পরিস্থিতিতে বদল হতে পারে। সেটা শুধুমাত্র এমন একটা রূপ, যার মধ্যে সেই নিয়ম তখনও কার্যকর থাকে”– Karl Marx

(১১) "অসম্ভব, যেটা ঐতিহাসিক পরিস্থিতিতে বদল হতে পারে। সেটা শুধুমাত্র এমন একটা রূপ, যার মধ্যে সেই নিয়ম তখনও কার্যকর থাকে”– Karl Marx

(১২) “যেকোনো মানুষ যে ইতিহাস সম্বন্ধে সামান্যটুকু জানে, সে নিশ্চই এটা বোঝে যে, মহান সমাজের পরিবর্তন কখনই মহিলাদের প্রগতি ছাড়া সম্ভব নয়। সামাজিক প্রগতি, মহিলাদের সামাজিক অবস্থানের উপর নির্ভর করে” – Karl Marx

(১৩) “প্রয়োজন ততক্ষণ অন্ধ থাকে যতক্ষণ না সেটার এটা জ্ঞান হয় যে, স্বাধীনতাই হলো প্রয়োজনের চেতনা” – Karl Marx

(১৪) “যন্ত্র চালিত মেশিন অনেক অসল মানুষদের সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই” – Karl Marx

(১৫) “ব্যবহার অযোগ্য বস্তুর কখনই মূল্য হতে পারেনা” – Karl Marx

(১৬) “ধনী মানুষরা দরিদ্রদের জন্য অনেক কিছুই করতে পারেন, কিন্তু তাদের ওপর থেকে তারা কখনই সরতে পারেননা” – Karl Marx

(১৭) “সাম্যবাদের সিদ্ধান্তকে একটি বাক্যেই প্রকাশ করা যেতে পারে – সমস্ত নিজেস্ব সম্পত্তিকে বাতিল করে দেওয়া হোক” – Karl Marx

(১৮) “অভিজ্ঞতা সর্বদাই সবথেকে ভালো মানুষদের প্রশংসা করে, যারা সবচেয়ে বেশি অন্যদের খুশি করে তুলেছে” – Karl Marx

(১৯) “সময়ই সবকিছু, মানুষ কিছু নয়” – Karl Marx
(২০) “সম্ভবত এটা বলা যায় যে, মেশিন চালিত যন্ত্রপাতি নির্দিষ্ট শ্রমের বিরোধকে চাপা দেওয়ার জন্য পুঁজিপতিদের দ্বারা লাগানো এক-একটি হাতিয়ার” – Karl Marx

(২১) “গণতন্ত্রই সমাজতন্ত্রের একমাত্র পথ” – Karl Marx

(২২) “প্রচুর ব্যবহার যোগ্য পন্যের উৎপাদনের পরিণাম, প্রচুর বেকার লোক হয়ে থাকে” – Karl Marx

(২৩) “ধর্ম হয় মানুষের আফিম” – Karl Marx

(২৪) “আমলাতন্ত্রের জন্য, বিশ্ব কেবলমাত্র একটা ম্যানিপুলেশনের বস্তু” – Karl Marx

(২৫) “পুঁজিবাদীরা উৎপাদনের প্রযুক্তিকে বিকাশ করে আর নানা ধরনের প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ সমাজে মিশিয়ে দেয়। এইসব তারা করে সম্পত্তির মূল স্রোত, মাটি আর শ্রমিকদের সম্পূর্ণ শোষন করে” – Karl Marx

(২৬) “পুঁজিবাদী সমাজে মূলধন সর্বদা স্বতন্ত্র ও ব্যক্তিগত। যদিও জীবিত ব্যক্তি নির্ভরশীল এবং তার কোনো ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য নেই” – Karl Marx

(২৭) “মানুষের সুখের জন্য প্রথম প্রয়োজন ধর্মের অন্ত” – Karl Marx

(২৮) “মূলধন, শ্রমিকের স্বাস্থ্য ও তার দীর্ঘ জীবনকে ততক্ষন অবধি অবহেলা করে যতক্ষন না সেটার উপর সমাজের কোনো চাপ থাকে” – Karl Marx

(২৯) “উৎপাদন পদ্ধতি সংস্কৃতিকে নির্ধারণ করে” – Karl Marx

(৩০) “শ্রেণিহীন সমাজ হলো সমাজ ব্যবস্থার শেষ পর্যায়” – Karl Marx

(৩১) “আগের সমস্ত সমাজ ব্যবস্থার ইতিহাস, শ্রেণী সংগ্রামেরই ইতিহাস ছিলো” – Karl Marx

(৩২) “কারণ সবসময় বিদ্যমান ছিলো কিন্তু সেটা সর্বদা সঠিক অবস্থায় ছিলোনা” – Karl Marx

(৩৩) “বিপ্লব ইতিহাসের ইঞ্জিন” – Karl Marx

(৩৪) “বাঁচতে আর লিখতে হলে, লেখককে সর্বদা অর্থ উপার্জন করা উচিত। কিন্তু কোনো ক্ষেত্রেই তাঁর অর্থ উপার্জনের জন্য শুধু বাঁচা আর লেখা উচিত নয়” – Karl Marx

(৩৫) “একটামাত্র ভূতই ইউরোপকে ব্যস্ত করে তুলছে – সাম্যবাদের ভূত” – Karl Marx

(৩৬) “চিকিৎসা, সন্দেহ তথা অসুস্থতাকেও নিরাময় করে তোলে” – Karl Marx

(৩৭) “সভ্যতা এবং সাধারনত শিল্পের বিকাশ, সবসময় বনকে ধ্বংস করার ক্ষেত্রে এতটাই নিজেদের সক্রিয় রেখেছে যে, এইসবের তুলোনায় প্রত্যেকটা জিনিস যা সেইসবের সংরক্ষন আর উৎপত্তির জন্য করা হয়েছে তা খুবই নগন্য” – Karl Marx

(৩৮) “লেখক ইতিহাসের কোনো আন্দোলনকে হয়তো খুব ভালোভাবে বলতে পারবে ঠিকই কিন্তু নিশ্চিত ভাবে সে সেটাকে তৈরী করতে পারবেনা” – Karl Marx

(৩৯) “মানুষের চিন্তা তাদের শারীরিক অবস্থার সবচেয়ে প্রতক্ষ্য উত্থান হয়ে থাকে” – Karl Marx

(৪০) “আমি মার্কসবাদী নই” – Karl Marx

(৪১) “অর্থ হলো পুঁজিপতিদের হাতে শ্রমিক শোষণের হাতিয়ার” – Karl Marx








আরও পড়ুন

Online news


No comments

Powered by Blogger.