অনুপ্রেরণামূলক ৮২ টি বাণী যা বদলে দিতে পারে জীবন
০১। “জীবনকে বদলানোর জন্য যুদ্ধ করতে হবে, কিন্তু এটাকে সহজ করার জন্য শুধু বুঝতে হবে”
০২। “নিজের কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে আসুন। আপনি তখনই আগে এগোতে পারবেন, যখন আপনি নতুন কিছু করার জন্য প্রস্তুত থাকবেন”
০৩। “আপনার পিছনে যারা আপনার নামে বদনাম করে, তাদের কথাকে মোটেই গুরুত্ব দেবেন না। সবসময় মনে রাখবেন, আপনি তাদের থেকে ভালো আছেন বলেই তারা আপনার নামে সমালোচনা করে চলেছে”
০৪। “জীবনকে যদি বুঝতে চাও, তাহলে নিজের অতীতকে দেখো, আর যদি জীবনে ভালোভাবে বাঁচতে চাও, তাহলে নিজের বর্তমানকে দেখো”
০৫। “জীবনে সবচেয়ে বড় খুশি সেই কাজকে করতে লাগে, যেই কাজকে দেখে লোকে বলে, তুমি এটা কখনোই করতে পারবে না”
০৬। “সাফল্য অথবা অসাফল্য এই দুটো অবস্থাতেই মানুষ তোমাকে নিয়ে চর্চা করবেই, সাফল্য পেলে প্রেরণার আকারে আর অসাফল্য পেলে শিক্ষার আকারে”
০৭। “জীবনে সফল হও কিংবা অসফল, ধনী হও কিংবা গরীব, কোনো না কোন মানুষ তোমার নামে সমালোচনা করতে সর্বদা মুখরিত থাকবেই। তাই কে কী বললো তাতে কান না দিয়ে নিজের কাজ করে যাও আর নিজের জীবনকে অনবরত সুন্দর এবং সহজ বানাতে থাকো”
০৮। “কখনো কখনো জেতার জন্য একটু হারতেও শিখতে হয়। হেরে যাওয়া কোনো খারাপ জিনিস নয়, বরং এটা আপনাকে পরবর্তী লক্ষ্যকে জয় করার জন্য better বানাতে সাহায্য করে”
০৯। “সফল হতে গেলে পরিশ্রম করো কিন্তু কখনোই কোনো শর্টকাটের সাহায্য নিওনা”
১০। “যে ব্যক্তি নিজের ক্রোধকে সহ্য করতে পারে সে অন্যের ক্রোধের হাত থেকে বাঁচতেও পারে”
১১। “বিচলিত মন কখনোই আপনাকে সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দেবেনা, তাই মনকে আগে শান্ত এবং একাগ্র করতে শিখুন তারপরই জীবনে সাফল্যের কথা ভাবুন”
১২। “যদি লোকে আপনার উপর পাথর ছুঁড়ে মারে, তাহলে সেই পাথর গুলোকে জীবনের মাইলফলকে পরিণত করুন”
১৩। “অগ্রগতির সম্ভাবনা যাদের মধ্যে আছে, তাদের জীবনে সময় অসময়ে সমস্যা এসে উপস্থিত হয়”
১৪। “সমস্যা ছাড়া কেউই জীবনে একজন ভালো মানুষ, একজন সফল ব্যক্তি কিংবা একজন ধনীতে পরিণত হতে পারেনা। কারণ সমস্যাই হলো এমন একটা জিনিস, যেটাকে সমাধানের দ্বারা মানুষ জীবনে যা চায় তাই পায়”
১৫। “যদি আপনি দৃঢ়সংকল্প এবং পরিপূর্ণতার সঙ্গে কাজ করে চলেন, তাহলে আপনি একদিন নিশ্চই সফলতা অর্জন করবেন”
১৬। “জীবনে আগত প্রত্যেক সুযোগের সুবিধা নেও, কিন্তু কখনোই কারোর সরলতা এবং বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে কোন প্রকারের সুবিধা নিওনা”
১৭। “সত্যতা ও ভালো জিনিস খোঁজার লক্ষ্যে আপনি সারা দুনিয়াটাই ঘুরে ফেলুন কিন্তু সেটা যদি আপনার মধ্যেই না থাকে তাহলে সেটাকে আপনি কোথাও খুঁজে পাবেননা”
১৮। “নিজের লক্ষ্যকে সর্বদা উঁচু রাখো এবং ততক্ষণ পযর্ন্ত থেমোনা, যতক্ষণ না তুমি সেই লক্ষ্যকে অর্জন না করতে পারো”
১৯। “একজন সফল ব্যক্তি সর্বদা কোনো ভালো জিনিসকে অর্জন করার জন্য অনুপ্রাণিত থাকে, কিন্তু কাউকে পরাজিত করার জন্য সে কখনোই অনুপ্রাণিত থাকেনা”
২০। “তোমার সমস্যা কখনোই তোমাকে থেমে পরার সংকেত দেয়না বরং সেটা তোমার লক্ষ্যের পথকে নির্দেশ করে”
২১। “জীবনে এই দুই ধরনের মানুষই অসফল হয়। এক যে শুধু ভেবেই যায় আর কিছু করেনা, এবং দুই যে শুধু করেই যায় কিন্তু কিছু ভাবার চেষ্টাও করেনা”
২২। “ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না”
২৩। “যদি জীবনে কিছু পেতে চাও, তাহলে নিজের পদ্ধতিকে বদলাও কিন্তু নিজের ইচ্ছাকে কখনোই বদলিও না”
২৩। “যেটা চেয়েছো সেটাকে পেয়ে যাওয়াই হলো সাফল্য আর যেটা পেয়েছো সেটাকে ভালোবাসাই হলো প্রসন্নতা”
২৪। “যদি তোমার ভীতরে নতুন কিছু করার অদম্য ইচ্ছা থাকে, তাহলে দুনিয়ায় যেকোনো ইচ্ছাকেই বাস্তবে পরিনত করা অসম্ভব নয়”
২৫। “জীবনে তুমি কতবার হেরেছো সেটার বাস্তবে কোনো মূল্যই নেই, কারণ তুমি এখানে জেতার জন্য তৈরী হয়েছো হারার জন্য নয়”
২৬। “জীবনে কনো রিস্ক বা ঝুকি নিতে কখনোই ঘাবড়িও না, কারণ এরফলে হয়তো তুমি জিতবে আর যদি না জেতো তাহলে তুমি এর থেকে কিছু শিখবে”
২৭। “দুনিয়ার ভয়ের জন্য তুমি নিজের ইচ্ছায় উড়তে পারছো না, এই কথাটা সত্যি নয়। বরং তোমার ক্ষুদ্র চিন্তাশক্তিই তোমায় মন খুলে ওড়ার জন্য আটকাচ্ছে”
২৮। “যদি তোমার হারতে ভয় লাগে, তাহলে কখনোই মনে জেতার আশা রেখোনা”
২৯। “যদি তুমি পেন্সিল হয়ে কারোর খুশি না লিখতে পারো, তাহলে অন্তত রাবার হয়ে কারোর দুঃখকে দূর করো”
৩০। “জীবনে ধনী এতটাই হও, যাতে কোনো মূল্যবান জিনিস কিনতে তোমায় দুবার ভাবতেও না হয় আর মূল্যবান এতটাই হও যাতে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মানুষও তোমাকে কিনতে না পারে”
৩১। “স্বপ্ন আর লক্ষ্যের মধ্যে মাত্র একটাই পার্থক্য থাকে, স্বপ্নের জন্য চাই বিনা পরিশ্রমে একটা ভালো ঘুম আর লক্ষ্যের জন্য চাই বিনা ঘুমে খুব কঠোর পরিশ্রম”
৩২। “মানুষ বলে, যদি আমার কাছে পয়সা থাকে তাহলেই আমি কিছু করে দেখাবো, আর পয়সা বলে, আগে তুই কিছু করে দেখা তারপর আমি আসবো”
৩৩। “যদি পরাজয়কারী পরাজয়ই না স্বীকার করে, তাহলে সেখানে পরাজয়ের কোনো গুরুত্ব থাকেনা”
৩৪। “যা আপনি বর্তমানে করছেন, সেটাই আপনার ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে”
৩৫। “ভালো কিছু বলার থেকে বরং ভালো কিছু করা বেশি ফলদায়ক”
৩৬। “যে নিজের প্রতিটা পদক্ষেপের উপর ভরসা রাখে, সেই একমাত্র গন্তব্যে নিশ্চিন্তে পৌঁছাতে পারে”
৩৭। “যদি একজন হেরে যাওয়া মানুষ, হেরে যাওয়ার পরও হাসতে থাকে। তাহলে জয়ী ব্যক্তিও সেটা দেখে জেতার আনন্দকে হারিয়ে ফেলে”
৩৮। “যেইসব মানুষ তাদের জীবনের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে পারেনা, একসময় তাদের জীবনের নিয়ন্ত্রণ সময়ের হাতে এবং অন্যের হাতে চলে যায়”
৩৯। “যদি আপনি ভাবেন যে, কোনো কাজকে আপনি নিশ্চই করতে পারবেন, তাহলে নিশ্চিত ভাবেই সেই কাজকে আপনি সম্পূর্ণ করতেই পারবেন। আর যদি ভাবেন আপনি কোনো কাজকেই করতে পারবেন না, তাহলে আপনি কিছুই কোনোদিন পারবেন না”
৪০। “জয়ী হতে গেলে জীবনে যত সংঘর্ষ আসবে ততই সেই জয়কে আপনি মন থেকে উপভোগ করতে পারবেন”
৪১। “যদি আপনি কাল কোনো কাজে ব্যর্থ হন, তাহলে আজ আবার সেটাকে করার চেষ্টা করুন। কখনোই এটা ভাব্বেন না আপনি কাল ব্যর্থ হয়েছেন বলে আজও ব্যর্থ হবেন”
৪২। “অন্যের কথায় কেন ভেঙ্গে পরছো বাচ্চাদের মতো, লোকেরা অনেক কথাই বলতে থাকবে। যখন পরিস্থিতি বদলে যাবে, তখন লোকেদের কথাও বদলে যাবে”
৪৩। “প্রত্যেক সাফল্যের শুরুটা, নিজের উপর বিশ্বাসের দ্বারাই হয়”
৪৪। “বিশ্বাসে মেলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর”
৪৫। “সময়কে দেখো না, বরং সময় যেটা করে সেটা তুমিও করো অর্থাৎ সর্বদা চলতে থাকো”
৪৬। “অন্যদের মনকে বদলানোর আগে, সর্বপ্রথম নিজের মনকে বদলাও”
৪৭। “জীবনে যদি তুমি তোমার লক্ষ্যকে অর্জন করতে চাও, তাহলে পরিশ্রম করার দিকে মন দেও কিন্তু কখনোই কাজে ফাঁকি দিওনা”
৪৮। “যার আছে নিজের উপর বিশ্বাস, সেই পারবে একমাত্র জীবনে সফল হতে”
৪৯। “শুধু দাঁড়িয়ে নদী দেখতে থাকলে আপনি কোনদিনও সেই নদী পার করতে পারবেন না, পার করতে হলে আপনাকে অবশ্যই সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে“
৫০। “যত কঠিন সংঘর্ষ হবে, বিজয়ের আনন্দ ততই মধুর হবে”
৫১। “ততক্ষন অবধি অর্থ উপার্জন করতে থাকুন যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স আপনার ফোন নম্বরের মত দেখতে না লাগে”
৫২। “যদি আপনি চান কোনো কাজ ভালো ভাবে হোক, তাহলে সেটি নিজে করুন”
৫৩। “এটা কোনো বেপারই না, যে আপনি কত ভুল করছেন বা আপনি কত ধীর গতিতে প্রগতি করছেন, আপনি এখনো ওইসব মানুষগুলির থেকে এগিয়ে যারা কোনদিন চেষ্টাও করেনা কিছু করার”
৫৪। “Give Up করার মানে কিন্তু সবসময় এটা না যে আপনি খুব দুর্বল প্রকৃতির, এর মানে আপনি অনেক শক্তিশালী এবং অনেক বুদ্ধিমান যে সেইসব ছেড়ে দিয়ে আগে অগ্রসর হতে চায়”
৫৫। “যদি আপনি বাস্তবে সত্যিই কিছু করতে চান, তাহলে কোনো না কোনো রাস্তা ঠিকই খুঁজে পাবেন, আর না যদি কিছু করতে চান তাহলে আপনি অজুহাতও ঠিকই খুঁজে পাবেন”
৫৬। “আপনি যদি নিজের জীবনকে নিজের মত করে কাটাতে চান, তাহলে কোনদিনও কারোর বেশি ভক্ত বা (Fan) হতে যাবেন না”
৫৭। “যতক্ষণ আপনি অন্যদের নিজের সমস্যা এবং কঠিন পরিস্থিতির জন্য দায়ী বলে মনে করবেন, ততক্ষণ আপনি আপনার সমস্যা এবং কঠিন পরিস্থিতি গুলিকে দূর করতে একদমই পারবেন না”
৫৮। “নিজের জীবনের মূল্যবান সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে শিখুন, তা না হলে আপনার জীবনের সেই সিদ্ধান্ত অন্য কেউ নিতে সামান্য সময়ও নষ্ট করবেনা”
৫৯। “সফলতা আমাদের পরিচয় দুনিয়ার কাছে করায় কিন্তু অসফলতা আমাদের দুনিয়ার পরিচয় করায়”
৬০। “স্বপ্ন সেটা নয় যা আমরা সকালে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় দেখি, স্বপ্ন হল সেটাই যা আমাদের ঘুমাতে দেয়না”
৬১। “দূর থেকে আমাদের সামনের সকল রাস্তা বন্ধ বলে নজরে আসে তাই সফলতার রাস্তা আমাদের কাছে তখনই খোলা বলে মনে হবে, যখন আমরা সেটার অনেক কাছে পৌঁছে যাবো”
৬২। “যখন আপনার জন্ম হয়েছিল তখন আপনি কেঁদে ছিলেন আর বাকি মানুষ তা উদযাপন করেছিল। নিজের জীবনকে এমনভাবে উপভোগ করুন যাতে আপনার মৃত্যুর সময় সবাই কাঁদলেও আপনি তা হাসি মুখে উদযাপন করতে পারেন”
৬৩। “যে কোনো বড় কাজ করতে গেলে লাগে একাগ্রতা আর সেই কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার পিছনে লেগে থাকার মত ধৈর্য্য কঠোর পরিশ্রম ছাড়া জীবনে কোনো কিছুই সম্ভব না”
৬৪। “ভীড় সবসময় সেই রাস্তাই অনুসরণ করে যেই রাস্তা সোজা বলে মনে হয়, কিন্তু এর মানে সর্বদা এই নয় যে ভীড় সবসময় সঠিক রাস্তাই অনুসরণ করবে। নিজের রাস্তা নিজে খুঁজে বার করুন, কারণ আপনাকে আপনি নিজে ছাড়া আর অত ভালোভাবে কেউ চেনে না”
৬৫। “ব্যর্থতাকে নিয়ে চিন্তা করবেন না কারণ আপনাকে একবারই মাত্র সঠিক হতে হবে”
৬৬। “সবকিছুই, কিছু না থেকে শুরু হয়েছিল”
৬৭। “দরকার ছাড়া যে পাশে সর্বদা থাকে, সেই হচ্ছে আপনজন”
৬৮। “যদি একজন পরাজিত মানুষ হেরে যাওয়ার পরও হাসি মুখে থাকে, তাহলে জয়ী মানুষটি তার জেতার আনন্দ নিমেষে হারিয়ে ফেলবে – এটিই হলো হাসির আসল শক্তি”
৬৯। “ব্রহ্মান্ডের সকল শক্তি আমাদের মধ্যে আগে থেকেই নিহিত আছে, কিন্তু আমরা স্বয়ং নিজেদেরই চোখকে হাত দিয়ে ঢেকে রেখেছি আর তারপর নিজেরাই কেঁদে বলছি চারিদিকে কত অন্ধকার”
৭০। “চেষ্টা কখনো ছাড়া উচিত নয়, কারণ চাবিগুচ্ছের শেষ চাবিটিও কিন্তু তালা খুলতে পারে”
৭১। “আপনি এটা কখনই বলতে পারেন না যে আপনার কাছে পর্যাপ্ত সময় নেই, কারণ আপনি দিনে ঠিক একই পরিমান (২৪ ঘন্টা) সময় পান যা পৃথিবীর মহান আর সফল লোকেরাও পায়”
৭২। “যে ব্যক্তি সাংসারিক বস্তুর প্রতি ব্যাকুল হননা, সেই ব্যক্তি অমরত্ব লাভ করে ফেলেছেন”
৭৩। “সত্যিকারের প্রচেষ্টা কখনই ব্যর্থ হয় না”
৭৪। “যদি আপনি হারতে ভয় পান, তাহলে কখনই জেতার আশা রাখবেন না”
৭৫। “বন্ধুদের এবং শত্রুদের কখনো বিশ্বাস জাগানোর প্রয়োজন হয়না, কারণ শত্রুরা কখনই আপনাকে বিশ্বাস করবেনা আর বন্ধুরা আপনাকে কখনোই সন্দেহ করবেনা”
৭৬। “বৃষ্টির সময় সমস্ত পাখিরা আশ্রয়ের খোঁজ করতে থাকে কিন্তু ঈগল আকাশের এতই উপর দিয়ে উড়ে যায় যে বৃষ্টি তাকে একফোঁটা ছুঁতেও পারেনা – সেইরকমই জীবনে সমস্যা আসা একটি সাধারণ বেপার যেখানে আপনার মনোভাবই (Attitude) সমস্ত পার্থক্যের সৃষ্টি করতে পারে”
৭৭। “পরিচয় দ্বারা পাওয়া কাজ কিছু সময়ের জন্যই থাকে, কিন্তু কাজ থেকে প্রাপ্ত পরিচয় সারাজীবন থাকে”
৭৮। “পরিচয় দ্বারা পাওয়া কাজ কিছু সময়ের জন্যই থাকে, কিন্তু কাজ থেকে প্রাপ্ত পরিচয় সারাজীবন থাকে”
৭৯। “ভীড় সাহস তো যোগায় কিন্তু পরিচয় কেড়ে নেয়”
৮০। “জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের নিজেদেরকে উন্নত করা উচিত, যদি আমরা নিজেদেরকে উন্নত করা বন্ধ করে ফেলি তাহলে আমরা একই জায়গায় আটকে থাকবো, তাই যে যত নিজেকে উন্নত করবে সে ততই জীবনে এগিয়েও যাবে”
৮২। “আপনার সবচেয়ে বড় শিক্ষক, আপনার করা শেষ ভুলটাই হয়”
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করে পড়ার জন্য।
আরও পড়ুন
০২। “নিজের কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে আসুন। আপনি তখনই আগে এগোতে পারবেন, যখন আপনি নতুন কিছু করার জন্য প্রস্তুত থাকবেন”
০৩। “আপনার পিছনে যারা আপনার নামে বদনাম করে, তাদের কথাকে মোটেই গুরুত্ব দেবেন না। সবসময় মনে রাখবেন, আপনি তাদের থেকে ভালো আছেন বলেই তারা আপনার নামে সমালোচনা করে চলেছে”
০৪। “জীবনকে যদি বুঝতে চাও, তাহলে নিজের অতীতকে দেখো, আর যদি জীবনে ভালোভাবে বাঁচতে চাও, তাহলে নিজের বর্তমানকে দেখো”
০৫। “জীবনে সবচেয়ে বড় খুশি সেই কাজকে করতে লাগে, যেই কাজকে দেখে লোকে বলে, তুমি এটা কখনোই করতে পারবে না”
০৬। “সাফল্য অথবা অসাফল্য এই দুটো অবস্থাতেই মানুষ তোমাকে নিয়ে চর্চা করবেই, সাফল্য পেলে প্রেরণার আকারে আর অসাফল্য পেলে শিক্ষার আকারে”
০৭। “জীবনে সফল হও কিংবা অসফল, ধনী হও কিংবা গরীব, কোনো না কোন মানুষ তোমার নামে সমালোচনা করতে সর্বদা মুখরিত থাকবেই। তাই কে কী বললো তাতে কান না দিয়ে নিজের কাজ করে যাও আর নিজের জীবনকে অনবরত সুন্দর এবং সহজ বানাতে থাকো”
০৮। “কখনো কখনো জেতার জন্য একটু হারতেও শিখতে হয়। হেরে যাওয়া কোনো খারাপ জিনিস নয়, বরং এটা আপনাকে পরবর্তী লক্ষ্যকে জয় করার জন্য better বানাতে সাহায্য করে”
০৯। “সফল হতে গেলে পরিশ্রম করো কিন্তু কখনোই কোনো শর্টকাটের সাহায্য নিওনা”
১০। “যে ব্যক্তি নিজের ক্রোধকে সহ্য করতে পারে সে অন্যের ক্রোধের হাত থেকে বাঁচতেও পারে”
১১। “বিচলিত মন কখনোই আপনাকে সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দেবেনা, তাই মনকে আগে শান্ত এবং একাগ্র করতে শিখুন তারপরই জীবনে সাফল্যের কথা ভাবুন”
১২। “যদি লোকে আপনার উপর পাথর ছুঁড়ে মারে, তাহলে সেই পাথর গুলোকে জীবনের মাইলফলকে পরিণত করুন”
১৩। “অগ্রগতির সম্ভাবনা যাদের মধ্যে আছে, তাদের জীবনে সময় অসময়ে সমস্যা এসে উপস্থিত হয়”
১৪। “সমস্যা ছাড়া কেউই জীবনে একজন ভালো মানুষ, একজন সফল ব্যক্তি কিংবা একজন ধনীতে পরিণত হতে পারেনা। কারণ সমস্যাই হলো এমন একটা জিনিস, যেটাকে সমাধানের দ্বারা মানুষ জীবনে যা চায় তাই পায়”
১৫। “যদি আপনি দৃঢ়সংকল্প এবং পরিপূর্ণতার সঙ্গে কাজ করে চলেন, তাহলে আপনি একদিন নিশ্চই সফলতা অর্জন করবেন”
১৬। “জীবনে আগত প্রত্যেক সুযোগের সুবিধা নেও, কিন্তু কখনোই কারোর সরলতা এবং বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে কোন প্রকারের সুবিধা নিওনা”
১৭। “সত্যতা ও ভালো জিনিস খোঁজার লক্ষ্যে আপনি সারা দুনিয়াটাই ঘুরে ফেলুন কিন্তু সেটা যদি আপনার মধ্যেই না থাকে তাহলে সেটাকে আপনি কোথাও খুঁজে পাবেননা”
১৮। “নিজের লক্ষ্যকে সর্বদা উঁচু রাখো এবং ততক্ষণ পযর্ন্ত থেমোনা, যতক্ষণ না তুমি সেই লক্ষ্যকে অর্জন না করতে পারো”
১৯। “একজন সফল ব্যক্তি সর্বদা কোনো ভালো জিনিসকে অর্জন করার জন্য অনুপ্রাণিত থাকে, কিন্তু কাউকে পরাজিত করার জন্য সে কখনোই অনুপ্রাণিত থাকেনা”
২০। “তোমার সমস্যা কখনোই তোমাকে থেমে পরার সংকেত দেয়না বরং সেটা তোমার লক্ষ্যের পথকে নির্দেশ করে”
২১। “জীবনে এই দুই ধরনের মানুষই অসফল হয়। এক যে শুধু ভেবেই যায় আর কিছু করেনা, এবং দুই যে শুধু করেই যায় কিন্তু কিছু ভাবার চেষ্টাও করেনা”
২২। “ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না”
২৩। “যদি জীবনে কিছু পেতে চাও, তাহলে নিজের পদ্ধতিকে বদলাও কিন্তু নিজের ইচ্ছাকে কখনোই বদলিও না”
২৩। “যেটা চেয়েছো সেটাকে পেয়ে যাওয়াই হলো সাফল্য আর যেটা পেয়েছো সেটাকে ভালোবাসাই হলো প্রসন্নতা”
২৪। “যদি তোমার ভীতরে নতুন কিছু করার অদম্য ইচ্ছা থাকে, তাহলে দুনিয়ায় যেকোনো ইচ্ছাকেই বাস্তবে পরিনত করা অসম্ভব নয়”
২৫। “জীবনে তুমি কতবার হেরেছো সেটার বাস্তবে কোনো মূল্যই নেই, কারণ তুমি এখানে জেতার জন্য তৈরী হয়েছো হারার জন্য নয়”
২৬। “জীবনে কনো রিস্ক বা ঝুকি নিতে কখনোই ঘাবড়িও না, কারণ এরফলে হয়তো তুমি জিতবে আর যদি না জেতো তাহলে তুমি এর থেকে কিছু শিখবে”
২৭। “দুনিয়ার ভয়ের জন্য তুমি নিজের ইচ্ছায় উড়তে পারছো না, এই কথাটা সত্যি নয়। বরং তোমার ক্ষুদ্র চিন্তাশক্তিই তোমায় মন খুলে ওড়ার জন্য আটকাচ্ছে”
২৮। “যদি তোমার হারতে ভয় লাগে, তাহলে কখনোই মনে জেতার আশা রেখোনা”
২৯। “যদি তুমি পেন্সিল হয়ে কারোর খুশি না লিখতে পারো, তাহলে অন্তত রাবার হয়ে কারোর দুঃখকে দূর করো”
৩০। “জীবনে ধনী এতটাই হও, যাতে কোনো মূল্যবান জিনিস কিনতে তোমায় দুবার ভাবতেও না হয় আর মূল্যবান এতটাই হও যাতে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মানুষও তোমাকে কিনতে না পারে”
৩১। “স্বপ্ন আর লক্ষ্যের মধ্যে মাত্র একটাই পার্থক্য থাকে, স্বপ্নের জন্য চাই বিনা পরিশ্রমে একটা ভালো ঘুম আর লক্ষ্যের জন্য চাই বিনা ঘুমে খুব কঠোর পরিশ্রম”
৩২। “মানুষ বলে, যদি আমার কাছে পয়সা থাকে তাহলেই আমি কিছু করে দেখাবো, আর পয়সা বলে, আগে তুই কিছু করে দেখা তারপর আমি আসবো”
৩৩। “যদি পরাজয়কারী পরাজয়ই না স্বীকার করে, তাহলে সেখানে পরাজয়ের কোনো গুরুত্ব থাকেনা”
৩৪। “যা আপনি বর্তমানে করছেন, সেটাই আপনার ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে”
৩৫। “ভালো কিছু বলার থেকে বরং ভালো কিছু করা বেশি ফলদায়ক”
৩৬। “যে নিজের প্রতিটা পদক্ষেপের উপর ভরসা রাখে, সেই একমাত্র গন্তব্যে নিশ্চিন্তে পৌঁছাতে পারে”
৩৭। “যদি একজন হেরে যাওয়া মানুষ, হেরে যাওয়ার পরও হাসতে থাকে। তাহলে জয়ী ব্যক্তিও সেটা দেখে জেতার আনন্দকে হারিয়ে ফেলে”
৩৮। “যেইসব মানুষ তাদের জীবনের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে পারেনা, একসময় তাদের জীবনের নিয়ন্ত্রণ সময়ের হাতে এবং অন্যের হাতে চলে যায়”
৩৯। “যদি আপনি ভাবেন যে, কোনো কাজকে আপনি নিশ্চই করতে পারবেন, তাহলে নিশ্চিত ভাবেই সেই কাজকে আপনি সম্পূর্ণ করতেই পারবেন। আর যদি ভাবেন আপনি কোনো কাজকেই করতে পারবেন না, তাহলে আপনি কিছুই কোনোদিন পারবেন না”
৪০। “জয়ী হতে গেলে জীবনে যত সংঘর্ষ আসবে ততই সেই জয়কে আপনি মন থেকে উপভোগ করতে পারবেন”
৪১। “যদি আপনি কাল কোনো কাজে ব্যর্থ হন, তাহলে আজ আবার সেটাকে করার চেষ্টা করুন। কখনোই এটা ভাব্বেন না আপনি কাল ব্যর্থ হয়েছেন বলে আজও ব্যর্থ হবেন”
৪২। “অন্যের কথায় কেন ভেঙ্গে পরছো বাচ্চাদের মতো, লোকেরা অনেক কথাই বলতে থাকবে। যখন পরিস্থিতি বদলে যাবে, তখন লোকেদের কথাও বদলে যাবে”
৪৩। “প্রত্যেক সাফল্যের শুরুটা, নিজের উপর বিশ্বাসের দ্বারাই হয়”
৪৪। “বিশ্বাসে মেলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর”
৪৫। “সময়কে দেখো না, বরং সময় যেটা করে সেটা তুমিও করো অর্থাৎ সর্বদা চলতে থাকো”
৪৬। “অন্যদের মনকে বদলানোর আগে, সর্বপ্রথম নিজের মনকে বদলাও”
৪৭। “জীবনে যদি তুমি তোমার লক্ষ্যকে অর্জন করতে চাও, তাহলে পরিশ্রম করার দিকে মন দেও কিন্তু কখনোই কাজে ফাঁকি দিওনা”
৪৮। “যার আছে নিজের উপর বিশ্বাস, সেই পারবে একমাত্র জীবনে সফল হতে”
৪৯। “শুধু দাঁড়িয়ে নদী দেখতে থাকলে আপনি কোনদিনও সেই নদী পার করতে পারবেন না, পার করতে হলে আপনাকে অবশ্যই সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে“
৫০। “যত কঠিন সংঘর্ষ হবে, বিজয়ের আনন্দ ততই মধুর হবে”
৫১। “ততক্ষন অবধি অর্থ উপার্জন করতে থাকুন যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স আপনার ফোন নম্বরের মত দেখতে না লাগে”
৫২। “যদি আপনি চান কোনো কাজ ভালো ভাবে হোক, তাহলে সেটি নিজে করুন”
৫৩। “এটা কোনো বেপারই না, যে আপনি কত ভুল করছেন বা আপনি কত ধীর গতিতে প্রগতি করছেন, আপনি এখনো ওইসব মানুষগুলির থেকে এগিয়ে যারা কোনদিন চেষ্টাও করেনা কিছু করার”
৫৪। “Give Up করার মানে কিন্তু সবসময় এটা না যে আপনি খুব দুর্বল প্রকৃতির, এর মানে আপনি অনেক শক্তিশালী এবং অনেক বুদ্ধিমান যে সেইসব ছেড়ে দিয়ে আগে অগ্রসর হতে চায়”
৫৫। “যদি আপনি বাস্তবে সত্যিই কিছু করতে চান, তাহলে কোনো না কোনো রাস্তা ঠিকই খুঁজে পাবেন, আর না যদি কিছু করতে চান তাহলে আপনি অজুহাতও ঠিকই খুঁজে পাবেন”
৫৬। “আপনি যদি নিজের জীবনকে নিজের মত করে কাটাতে চান, তাহলে কোনদিনও কারোর বেশি ভক্ত বা (Fan) হতে যাবেন না”
৫৭। “যতক্ষণ আপনি অন্যদের নিজের সমস্যা এবং কঠিন পরিস্থিতির জন্য দায়ী বলে মনে করবেন, ততক্ষণ আপনি আপনার সমস্যা এবং কঠিন পরিস্থিতি গুলিকে দূর করতে একদমই পারবেন না”
৫৮। “নিজের জীবনের মূল্যবান সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে শিখুন, তা না হলে আপনার জীবনের সেই সিদ্ধান্ত অন্য কেউ নিতে সামান্য সময়ও নষ্ট করবেনা”
৫৯। “সফলতা আমাদের পরিচয় দুনিয়ার কাছে করায় কিন্তু অসফলতা আমাদের দুনিয়ার পরিচয় করায়”
৬০। “স্বপ্ন সেটা নয় যা আমরা সকালে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় দেখি, স্বপ্ন হল সেটাই যা আমাদের ঘুমাতে দেয়না”
৬১। “দূর থেকে আমাদের সামনের সকল রাস্তা বন্ধ বলে নজরে আসে তাই সফলতার রাস্তা আমাদের কাছে তখনই খোলা বলে মনে হবে, যখন আমরা সেটার অনেক কাছে পৌঁছে যাবো”
৬২। “যখন আপনার জন্ম হয়েছিল তখন আপনি কেঁদে ছিলেন আর বাকি মানুষ তা উদযাপন করেছিল। নিজের জীবনকে এমনভাবে উপভোগ করুন যাতে আপনার মৃত্যুর সময় সবাই কাঁদলেও আপনি তা হাসি মুখে উদযাপন করতে পারেন”
৬৩। “যে কোনো বড় কাজ করতে গেলে লাগে একাগ্রতা আর সেই কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার পিছনে লেগে থাকার মত ধৈর্য্য কঠোর পরিশ্রম ছাড়া জীবনে কোনো কিছুই সম্ভব না”
৬৪। “ভীড় সবসময় সেই রাস্তাই অনুসরণ করে যেই রাস্তা সোজা বলে মনে হয়, কিন্তু এর মানে সর্বদা এই নয় যে ভীড় সবসময় সঠিক রাস্তাই অনুসরণ করবে। নিজের রাস্তা নিজে খুঁজে বার করুন, কারণ আপনাকে আপনি নিজে ছাড়া আর অত ভালোভাবে কেউ চেনে না”
৬৫। “ব্যর্থতাকে নিয়ে চিন্তা করবেন না কারণ আপনাকে একবারই মাত্র সঠিক হতে হবে”
৬৬। “সবকিছুই, কিছু না থেকে শুরু হয়েছিল”
৬৭। “দরকার ছাড়া যে পাশে সর্বদা থাকে, সেই হচ্ছে আপনজন”
৬৮। “যদি একজন পরাজিত মানুষ হেরে যাওয়ার পরও হাসি মুখে থাকে, তাহলে জয়ী মানুষটি তার জেতার আনন্দ নিমেষে হারিয়ে ফেলবে – এটিই হলো হাসির আসল শক্তি”
৬৯। “ব্রহ্মান্ডের সকল শক্তি আমাদের মধ্যে আগে থেকেই নিহিত আছে, কিন্তু আমরা স্বয়ং নিজেদেরই চোখকে হাত দিয়ে ঢেকে রেখেছি আর তারপর নিজেরাই কেঁদে বলছি চারিদিকে কত অন্ধকার”
৭০। “চেষ্টা কখনো ছাড়া উচিত নয়, কারণ চাবিগুচ্ছের শেষ চাবিটিও কিন্তু তালা খুলতে পারে”
৭১। “আপনি এটা কখনই বলতে পারেন না যে আপনার কাছে পর্যাপ্ত সময় নেই, কারণ আপনি দিনে ঠিক একই পরিমান (২৪ ঘন্টা) সময় পান যা পৃথিবীর মহান আর সফল লোকেরাও পায়”
৭২। “যে ব্যক্তি সাংসারিক বস্তুর প্রতি ব্যাকুল হননা, সেই ব্যক্তি অমরত্ব লাভ করে ফেলেছেন”
৭৩। “সত্যিকারের প্রচেষ্টা কখনই ব্যর্থ হয় না”
৭৪। “যদি আপনি হারতে ভয় পান, তাহলে কখনই জেতার আশা রাখবেন না”
৭৫। “বন্ধুদের এবং শত্রুদের কখনো বিশ্বাস জাগানোর প্রয়োজন হয়না, কারণ শত্রুরা কখনই আপনাকে বিশ্বাস করবেনা আর বন্ধুরা আপনাকে কখনোই সন্দেহ করবেনা”
৭৬। “বৃষ্টির সময় সমস্ত পাখিরা আশ্রয়ের খোঁজ করতে থাকে কিন্তু ঈগল আকাশের এতই উপর দিয়ে উড়ে যায় যে বৃষ্টি তাকে একফোঁটা ছুঁতেও পারেনা – সেইরকমই জীবনে সমস্যা আসা একটি সাধারণ বেপার যেখানে আপনার মনোভাবই (Attitude) সমস্ত পার্থক্যের সৃষ্টি করতে পারে”
৭৭। “পরিচয় দ্বারা পাওয়া কাজ কিছু সময়ের জন্যই থাকে, কিন্তু কাজ থেকে প্রাপ্ত পরিচয় সারাজীবন থাকে”
৭৮। “পরিচয় দ্বারা পাওয়া কাজ কিছু সময়ের জন্যই থাকে, কিন্তু কাজ থেকে প্রাপ্ত পরিচয় সারাজীবন থাকে”
৭৯। “ভীড় সাহস তো যোগায় কিন্তু পরিচয় কেড়ে নেয়”
৮০। “জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের নিজেদেরকে উন্নত করা উচিত, যদি আমরা নিজেদেরকে উন্নত করা বন্ধ করে ফেলি তাহলে আমরা একই জায়গায় আটকে থাকবো, তাই যে যত নিজেকে উন্নত করবে সে ততই জীবনে এগিয়েও যাবে”
৮১। “আত্মবিশ্বাসের দ্বারা আপনি জীবনের উচ্চ শিখরে পৌছাতে পারবেন, কিন্তু আত্মবিশ্বাস ছাড়া আপনি সামান্য কিছুও অর্জন করতে পারবেন না”
৮২। “আপনার সবচেয়ে বড় শিক্ষক, আপনার করা শেষ ভুলটাই হয়”
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করে পড়ার জন্য।
আরও পড়ুন



No comments